মেয়ে‘টির বিয়ে হয়ে‘ছে অনে‘ক যুগ কিন্তু স‘ন্তান হয়নি, এতো বা’য়ুপথে স’হ’বাস হয়ে‘ছিল!বিস্তা‘রিত ভিতরে….

বিয়ের পর বেশ কয়েক বছর কে’টে গিয়েছে তাদের। সব স্বামী-স্ত্রী মতোনই তারা দুজনেই চান তাদের সন্তান হোক।কিন্তু, এইভাবে বিয়ের বেশ কয়েক বছর কে’টে যাওয়ার পরেও সন্তান হলো না তাদের। তখন তারা ডাক্তারের কাছে গিয়ে সমস্য়া খুলে বলাতে একদিকে যেমন ডাক্তারও আকাশ থেকে পড়লেন, অন্যদিকে বিস্মিত হলেন ওই দম্পতিও।

তাঁরা জানতই না যে বাচ্চা ‘’হতে গেলে তাঁদের যৌ’’’নতার প্রয়োজন। এমনই এক অদ্ভূ’ত ঘটনার কথা জানালেন ইউনাইটেড কিংডম ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস)-এ ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করা এক নার্স যার নাম র‌্যাচেল হিয়ারসন বয়স ৫৯ বছর। বছরের পর বছর ধরে মিডওয়াইফ অর্থাৎ দাই-মা এবং নার্স হিসাবে কাজ করছেন র‌্যাচেল হিয়ারসন।

সম্প্রতি তিনি প্রকাশ করেছেন ‘হ্যান্ডেল উইথ কেয়ার: কনফেশনস অব এনএইচএস অ্যান এনএইচএস হেল্থ ভিসিটর’ নামে স্মৃ’তিকথা। সেখানেই র‌্যাচেল হিয়ারসন এই অদ্ভূ’ত দম্পতির কথা লিখেছেন। তিনি বলেন, বিয়ের দীর্ঘদিন পরেও সন্তান না হওয়ায় ওই দম্পতি এক ডাক্তারের স’’ঙ্গে যোগাযোগ করেন।

স্বামী-স্ত্রীর স’’ঙ্গে কথা বলে ওই ডাক্তার আকাশ থেকে পড়েন এবং বুঝতে পারেন, কীভাবে একটি শিশুর জন্ম হয় তা সম্পর্কে কোনও ধারণাই নেই ওই দম্পতির। এরপরই তিনি ডেকে পাঠান ঐ নার্স হিয়ারসনকে।তাঁকেই ওই দম্পতিকে কিভাবে সন্তান প্র’সবের হয় তা বোঝানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। র‌্যাচেল হিয়ারসন বলেন, বি’ষয়টা অত্যন্ত অস্বস্তিকর হলেও,

তিনি কিন্তু ঐ দম্পতির স’’ঙ্গে যৌ’’’নতা নিয়ে পুরোপুরি খোলাখুলি কথাবার্তা বলেছিলেন। যৌ’’’নতার মাধ্যমেই কীভাবে শিশুর জন্ম হয় তা সঠিক মাত্রায় ব্যাখ্যা করেছিলেন। হিয়ারসন আরও বলেন, ওই দম্পতি ভেবেছিলেন যে একস’’ঙ্গে থাকা শুরু করলেই বোধহয় এমনি এমনিই গ’র্ভে সন্তান চলে আসবে।

কাজেই বিয়ে পরে তারা একস’’ঙ্গে থাকা শুরু করলেই তাঁরা সন্তানের বাবা-মা ‘’হতে পারবেন। যদিও হিয়ারসনের বইয়ে শুধুমাত্র এই একটি ঘটনাই নয়, এইরকম আরও নানান মজাদার ঘটনার বর্ণনা করেছেন।

তিনি বলেছেন, অনেক সময়েই এমন পরিস্থিতি তৈরি ‘’হতো, যেখানে অদ্ভূ’ত কোনও সমস্য়া নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অস্বস্তিতে ভুগেছেন অনেকেই। কিন্তু তাঁকেই জোর করে সেই বি’ষয়গু’’লির কথা তুলতে ‘’হত। সেইসব মানুষদের অস্বস্তি দূর করতে সমস্যার অনেক গভীরে পৌঁছতে ‘’হত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *