টানা তিন ঘন্টা ধ’রে স;হ;বা;স ক’রতে গিয়ে হাসপাতালে দম্পতি!

তি’ন ঘ’ণ্টা ধ’রে উ’প’ভো’গ করলেন চ;র’ম যৌ;;নসু’খ। আর তারপরই হা’সপা’তালে ভর্তি হতে হল ম’হি’লাকে।

সি’য়াটে’লের দ;ম্পতি এরিক ও লিজা যৌ;নমি;লনে লি’’প্ত হন। এক ঘণ্টা পর এরিক বি’ছানা থেকে নেমে কাজে যেতে চাইলেও নি’জেকে তখনও সা’মলাতে পা’রেননি লিজা। লিজা ব’লেন, এক ঘণ্টা অ;র্গা’জ’ম অ’নুভব করার পর আমি ও’য়াইন খে’য়ে চেষ্টা ক’রছিলাম নি’জেকে শান্ত করার।

সবরকম চেষ্টা করেও ৩ ঘ’ণ্টার আগে শান্ত হতে পা’রিনি। দু ঘণ্টা পরই তাঁকে হা’সপা’তালে নিয়ে যান এ’রিক। কিন্তু সে’খানেও অ’ন্তত এক ঘণ্টা লে’গেছে তাঁর স্বা’ভাবিক অ’বস্থায় আসতে। সে;-ক্স সে’ন্ট মি টু এর না’মক একটি টেলিভিশন শো-য়ে নি’জেদের অ’ভিজ্ঞতার কথা জা’নান এরিক ও লিজা।

স’ম্প্রতি জিও নি’উজে’র ‘ক্যা’পিটাল টক’ অনুষ্ঠানে হামিদ মী’রকে দেওয়া এক সা’ক্ষাৎকারে এ বিষয়ে মুখ খোলেন ব’লিউডে জ’নপ্রিয়তা পাওয়া এই গা’য়ক। আরোও পড়ুনঃ এক প্রে’মিকা নিয়ে দুই প্রে’মিকের কাড়াকাড়ি, আ;হ;ত ২০–
প্রে’মই মুক্তি, প্রে’মই শক্তি, প্রে’মই পরিবর্তনের গুপ্তশক্তি, প্রে’মই দিব্য সৌন্দর্যের দর্পন স্বরুপ। প্রে’মের নীরব স্বপ্ন যত মধুর তার অর্ধেক মধুরতাও জীবনে আর কিছুতেই নেই।

তবে আছে মুদ্রার উল্টা পিঠ। নতুন খবর হচ্ছে, এক প্রে’মিকাকে নিয়ে দুই প্রে;মিকের কা;ড়া;কা;ড়ির ঘটনায় চ;তুর্মু;খী সং;ঘ;র্ষে কম;প;ক্ষে ২০ জ;ন আ;হত হয়ে;ছেন। আ;হত;দের মধ্যে ২ জ;ন হাস;পাতা’লের আই;সিইউতে লাই;ফ সাপো;র্টে রয়েছেন।
এ ঘটনায় পু’লিশ ৮ জনকে গ্রে;ফ;তা;র করে;ছে বলে নিশ্চি;ত করেছে সং;শ্লিষ্ট সূত্র। শনিবার এ হা;মলা;র; ঘট;না ঘ;টেছে; ধাম ;রাই উপজে’লার চরসুঙ্গর এলাকায়। আরোও পড়ূনঃ পু’রুষের স’ঙ্গম ছাড়াই মা হলেন ডা’ক্তার শিউলি– কলকাতার ডা. শিউলি মুখার্জি প্রথম সিঙ্গেল পেরেন্ট হলেন আইনগতভাবে।

এজন কোর্টের সিঁড়িও ভাঙতে হয়েছে অনেক। শিউলি বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে ক্র’মশ একাকী’’ত্বও বাড়ছিল। অল্পতেই ‘রে’গে যাচ্ছিলাম। তখনই এই সিদ্ধা’ন্ত নিলাম।’ এর পরেই বাবা-মায়ের সঙ্গে আলোচনা করে পাকাপা’কি ভাবে সিঙ্গেল পেরেন্ট হওয়ার সি’দ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তিনি।
নিজের হাসপাতা’লের স্পার্ম ব্যাঙ্ক থেকে শু’ক্রাণু নিয়ে প্রবেশ করানো হয় তার শরীরে। হায়দরাবাদ ও মালদহের দুই মহিলাও তার চিকি’ৎসাতে সিঙ্গেল মাদার হতে চলেছেন। ডা. শিউলি মুখোপাধ্যায় কলকাতার বাসিন্দা। দেড় বছর আগে তিনি একক মাতৃ’ত্বের পথে হাঁটার সি’দ্ধান্ত নেন।

তার একাকিত্ব ঘোঁ’চাতে ও অন্যদের উৎসাহিত করতে তিনি এ সি’দ্ধান্ত নেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। সেই ভাবনা থেকেই অবিবাহিত শিউলি এখন এক পুত্র সন্তানের মা।৩৯ বছরের শিউলিদেবী ছে’লের নাম রেখেছেন ‘রণ’। তবে ছে’লের জ’ন্মের পরেই এক তিক্ত অ’ভিজ্ঞতা হয়েছে শিউলির।
তিনি বলেন, ‘ছে’লের জন্মের কাগজপত্রে বাবার নামের জায়গায় কী’’ লিখবেন সেটা বুঝে উঠতে পারছিলেন না।’ পু’রুষের সম্পূর্ণ স’হ’বা’স ছাড়াই স্পা’র্ম ব্যা’ঙ্ক থেকে শু’ক্রা’ণু নিয়ে বিয়ে ছাড়াই মা হযেছেন বাঙালী ডাক্তা’র শিউলি। অবশ্য এজন্য তার ল’ড়াইও কম করতে হয় নাই।

শিউলির মা হওয়ার পর থেকে আ;শ’ঙ্কা করা হচ্ছে বিবাহ প্রথা বেশি দিন টিকে থাকবে না। সন্তান জ;ন্ম দানে পু;রুষের ভূমিকা গৌণ তা প্রমাণ করলেন ওই নারী। এখন থেকে আর নারী নি’র্যা’তন হবে না। এখন দেখার বিষয় বাঙালি না;রীরা এ পন্থা অবলম্বন করে কি না? বাঙালী ডাক্তার প্রমাণ করলেন,
বাঙা’লীরাই পথ দেখাবে সচেতনতার ও বিজ্ঞানের নানা কী’’র্তির। তারা আলোর দিশা। অন্ধকার অচলায়তন ভেঙে শিখা চিরন্তন।ডা. শিউলি মুখো’পাধ্যায়। নিজেকে নিয়ে গেলেন অনন্য উচ্চতায়।কলকাতায় ‘একক মাতৃত্ব’ নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে দীর্ঘদিন কাজ করছেন তিনি।

বন্ধ্যাত্ব নিরসন তার যেন উপাসনা। শত নারীর মুখে মাতৃত্বের হাসি ফোটানো। বিভিন্ন নারীকে তিনি মাতৃত্বের স্বাদ গ্রহণের সুযোগও করে দেন সেবার ভিত্তিতে ন্যূনতম খরচে। এবার নিজেই সেই পথে হাঁটলেন। প্রায় ১১ বছর আগে স্ত্রী’’-রো’গ চি’কিৎসক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে তার হাতেই জন্ম হয়েছে অসংখ্য শি’শুর।
তবে ‘করে ছে’লের জ’ন্মের পরে প্রথম তাকে কোলে নেওয়ার অনুভূতি একেবারে অন্যরকম বলেই জানান তিনি। শিউলিদেবী জানান, এমডি পড়ার সময় থেকেই বাড়ি থেকে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়া শুরু হয়। কিন্তু বিয়ে বিষয়টি ছিল তার অ’পছন্দের। তিনি জানান, শেষে আ’দালতে এফিডেভিট করে এবং সিঙ্গ’ল মাদারের ক্ষেত্রে কলকাতা পৌরসভা’র দেয়া একটি শি’শুর জ’ন্মের কাগজপত্রের কপি ও সুপ্রিম কোর্টের,

রায়ের কাগজপত্র পৌরসভায় জমা দেয়ার পরেই নিজের সন্তানের কাগজপত্র তৈরি হয়।শি’শু বয়স থেকেই রণকে সিঙ্গেল পেরেন্ট বা সিঙ্গল মাদারের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বোঝাতে চান শিউলি। শনিবার নিজের বেসরকারি হাসপাতা’লে বসে তিনি বলেন, ‘ছোট থেকেই ওকে বুঝিয়ে দিলে বড় হয়ে আর মনে কোনও সংশয় থাকবে না। সুত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *