স্বা,মীরটা দৈর্ঘে অস্বাভাবিক বড়, বিয়ের পরের দিনই তা,লাক দিলেন নববধূ

অ’স্বাভাবিক বড় হওয়ার কারনে বিবাহ বি’চ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে! এই বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আ’জব কারণ আ’দা’লতে লিখিত ভাবে এ’জা’হার দাখিল করেছেন নব বিবাহিতা তরুনী। আ’দালতের কাছে তিনি জানিয়েছেন,

স্বামীর দৈর্ঘে অতিরিক্ত বড় হওয়ায় পারছেন না তিনি। আর এই কারণেই তিনি স্বা’মীর কাছ থেকে বিচ্ছেদ চান। আরও পড়ুন : প্রায়শই রোগীরা প্রশ্ন করেন ডাক্তার সাহেব ওষুধ ছাড়া কিভাবে শরীরের ক্ষমতা বাড়ানো যায়। ওষুধ সেবন করে শরীরের ক্ষমতা বাড়ালেতো ওষুধের ওপর নির্ভরতা তৈরী হয়। তখন ওষুধ ছাড়া শরীর আর চলতে চায়না। এটা একাবারে যথার্থ সত্য।

আজকাল অনেক তরুণ বা নববিবাহিত পুরুষেরা শরীরের ক্ষমতা বাড়াতে ওষুধের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে অতিমাত্রায়। ফলে অনেকের ক্ষেত্রে হিতে বিপরীত হচ্ছে। বাড়ছে দামপত্য কলহ। তাই কোন ধরনের সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া শারীরিক শক্তি বাড়ানোর ওষুধ সেবন বাঞ্চনীয় নয়। তবে বয়স ৫০-এর কোঠা পার হলে নানা ধরনের ভিটামিন, খনিজ পদার্থ ক্যালশিয়াম ইত্যাদি সেবনে বাধা নেই।

তবে শারীরিক ক্ষমতা বাড়াতে উত্তেজক ওষুধ সেবন হিতকর নয়। তাই স্বাভাবিক ভাবে শরীর ফিট রাখার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম এবং খানিকটা আমিষ জাতীয় খাবার যেমন- মাছ, মাংস, ডিম আহার করা ভালো। পাশাপাশি দরকার পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ রাখতে হবে নিয়ন্ত্রণে। এছাড়া পুষ্টি বিজ্ঞনীরা শরীরের শক্তি বাড়াতে ১০টি খাবারের প্রতি দৃষ্টি দিতে বলেছেন। এগুলো হলোঃ ফাইবার সমৃদ্ধ ওয়াটমিল, ক্যাফেইন সমৃদ্ধ খাবার যেমন কফি,

লেন্টিলস, প্রচুর পানি, কলা, আপেল, এমাইনো এসিড সমৃদ্ধ লিন বিফ, চিকেন, ডিম ও শেলফিস, চকলেট ইত্যাদি। বিশেষজ্ঞগণ দেখেছেন ওয়াটমিলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ মানসিক চাপ কমানোর বি ভিটামিন। কফিতে রয়েছে ক্রাফেইন যা এডিনোসিন নামক এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ-কে নিয়ন্ত্রণ করে শরীরে অধিক শক্তি তৈরীতে সাহায্য করে। পানির নিজের কোন শক্তি না থাকলেও পানি ছাড়া শরীরে শক্তি তৈরী হয়না।

তাই দিনে ৮/১০ গ্লাস পানি পান জরুরী। এছাড়া শরীরের শক্তি উৎপাদনের জন্য রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস গরম দুধ পান করা ভালো। সুষম খাবার-দাবার, পরিমিত ব্যায়াম ও ঘুম এবং মানসিক চাপ কমানোর

পরও যদি শরীরে কাংখিত শক্তি না পাওয়া যায় তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। লবঙ্গ : গ্যাস্ট্রিকের তাৎক্ষণিক সমাধান করবে লবঙ্গ। সমস্যা শুরু হলে দু’টি লবঙ্গ মুখে নিয়ে চিবোতে থাকুন। চুষে রসটা খেয়ে ফেলুন। দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই দূর হয়ে গেছে অ্যাসিডিটি। পুদিনা পাতা :

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে সেই প্রাচীনকাল থেকেই পুদিনা পাতার রস ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রতিদিন পুদিনা পাতার রস বা পাতা চিবিয়ে খেলে অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তি পাবেন আদা : বুক জ্বালাপোড়া এবং অ্যাসিডিটি সমস্যা সমাধানে বেশ কার্যকর আদা। প্রতিবার খাবার খাওয়ার আধঘণ্টা আগে ছোট এক টুকরো আদা কাঁচা চিবিয়ে খান, দেখবেন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা একেবারেই থাকবে না।

টকদই : খাওয়ার পর প্রতিদিন একবাটি করে টকদই খান। এতে খাবার হজম হবে। অ্যাসিডিটির সমস্যা কমে যাবে।খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম এবং স্বাস্থ্যকর খাবার না খাওয়ার ফলে অনেককেই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়। বিশেষ করে খাবার সময় একটু আগে-পরে হলে এবং বেশি ভাজাপোড়া ও তেল মসলা জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া পড়লে এই সমস্যাটি বড় আকার ধারণ করা শুরু করে। কিন্তু এই গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা নিয়ে খুব বেশি দুশ্চিন্তা করবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *