২৩ বছরের পাত্র চান সুন্দরী এই ডিভোর্সি নারী, সাথে ১০ লক্ষ্য টাকাও দিবেন!

ব্যক্তি,গত জীবনে ডিভো’র্সি। ফের বিয়ে করতে চান। কি,ন্তু পাত্র ২৩ বছর বয়সী। একই সাথে বান্ধ,বী থাকা যাবে না, ইন্টারনেট ব্যব,হার করা যাবে না সহ রয়েছে নানা শ,র্ত।

পাত্র চেয়ে এমনই একটি বিজ্ঞা,পন সো,শ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়া,চ্ছে।জানা গেছে, ৪১ বছরের ওই না,রী বাংলাদেশি হলেও থাকেন মালয়েশিয়ায়। সেখানে পাত্রী,র নিজ,স্বব্য,বসা ও বাড়িগাড়ি রয়েছে। বিজ্ঞা,পনে বলা হয়েছে, পা,ত্রকে বিয়ের পর পা,ত্রীর ব্য,বসা দেখা,শোনায় সা,হায্য করতে হবে।

পাত্র চেয়ে যেসব শ,র্ত দেয়া হয়েছে- অ,বশ্যই হ্যান্ড,সাম এ,বং সুন্দর দেখতে ‘হতে হবে ফ,র্সা এ,বং ভাল সা,স্থ্যের ‘হতে হবে। কালো ও চা’পাভা’ঙ্গা পাত্রদের আবেদন করার দরকার নেই।বয়সঃ ২৩ থেকে ২৮ এর মধ্যে ‘হতে হবে। বিয়ের পর কলেজে/ভার্সি,টিতে পড়াশোনার নামে মেয়েদের সাথে ন’ষ্টামি করা যাব’েনা।

বউয়ের কথার অবা,ধ্য হওয়া যাব’েনা। কো,নও মেয়ে ব,ন্ধু থাকা চলবে না। অনুমতি ছাড়া বাড়ির বাইরে যাওয়া যাব’েনা। ফেইসবুক/ইন্টারনেট ব্যব,হার করাযাব’েনা।সর্ব,শেষ ওই বিজ্ঞা,পনে লেখা হয়েছে, পাত্রকে টাকাপয়সার কো,নও অভাব দেয়া হবেনা। বিজ্ঞাপ,নটি ভার্চু,য়ালি ভাইরাল হয়ে পড়েছে। অনেকেই ইতি,বাচক নেতি,বাচক মন্ত,ব্য করছে।

আরোও পড়ুনঃ শুধু চাল পানি খেয়ে সেহরি-ইফতার করছেন যৌ”নপল্লীর বাসিন্দারা– ল’ক’ডা’উ’নের কারণে সবচেয়ে বেশি ক’ষ্টে আছেন যৌ”নপল্লীর বাসিন্দারা। লোকল”জ্জ্বায় তারা বাইরে বের হতে পারেন না। পারেন না কারও কাছে কিছু চাইতে।

কেউ সাহায্য নিয়েও সেখানে যান না। আর ল’ক’ডা’উ’নে খদ্দের কমে যাওয়ায় তাদের এক প্রকার না খেয়েই থাকতে হচ্ছে। এমনকি তারা চাল পানি খেয়ে সেহরি-ইফতার ক’রেন। দীর্ঘ ১২ বছর যাবত টাঙ্গাইল যৌ”নপল্লীতে বসবাস ক’রেন শাপলা আক্তার (২৭)। আগে প্রতিদিন ৮০০-১২০০ টাকা আয় করতেন।

ক’রো’না’ভা’ই’রা’স ের কারণে খদ্দের কম থাকায় প্রতিদিন ৫০০-৬০০ টাকা আয় হতো। এখান থেকে ঘরভাড়া, সন্তানের খরচ, খাবার ও ব্যক্তি খরচ বাদ দিয়ে তার বাড়িতে টাকা পাঠাতেন। প্রায় ১৩ মাস যাবত ক’রো’না’ভা’ই’রা’স ের কারণে খদ্দের সংখ্যা কম। সবশেষ দুই সপ্তাহ যাবত ল’ক’ডা’উ’নের কারণে খদ্দের একেবারেই নাই।

খদ্দের না আসায় আয় উপার্জনও বন্ধ হয়ে গেছে। ল”জ্জ্বার কারণে সমাজের কারও কাছে হাত পাততেও পারেন না। সব মিলিয়ে তিনি অর্ধাহারে-অনাহারে মানবেতর জীবনযাপন ক’র’ছে’ন। শুধু শাপলা আক্তার নয়। তার মতো টাঙ্গাইল শহরের কান্দাপাড়া যৌ”নপল্লীর প্রায় সাত ক’র্মী খেয়ে না খেয়ে দিন পার ক’র’ছে’ন।

আবার অনেক ক’র্মী ঘরভাড়া দিতে না পাড়ায় বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছেন। শাপলা আক্তার বলেন, আমার মেয়ের বয়স দেড় বছর। প্রায় দেড় বছর যাবত আমাকে ক’ষ্ট করতে হচ্ছে। মেয়ে হওয়ার পর তিন মাস ঠিকমতো দুধ ও কাপড় কিনে দিতে পেরেছি। ক’রো’না’ভা’ই’রা’স ে কারণে প্রায় ১৩ মাস যাবত মেয়ের,

নতুন জামা ও দুধ কিনে দিতে পারি না। সুজি খাওয়ায়ে মেয়েকে মানুষ করতে হচ্ছে। বর্তমানে সুজি কেনার টাকাও থাকে না। অন্যের কাছ থেকে টাকা চেয়ে সুজি কিনে দিতে হচ্ছে। ল’ক’ডা’উ’নে গাড়ি বন্ধ। লোকজনও আসে না। সব মিলিয়ে অনেক ক’ষ্ট করতে হচ্ছে। এত ক’ষ্ট বিগত ১২ বছরেও করিনি।

জানা যায়, ২০০ বছরের পুরনো কান্দাপাড়া যৌ”নপল্লীটি ৩০২ শতাংশ জমির উপর প্রতিষ্ঠিত। এর ৫৯টি বাড়িতে প্রায় ৭০০ যৌ”নক’র্মী রয়েছেন।ক’রো’না’ভা’ই’রা’স ের সং’ক্র’ম’ণ ঠেকাতে গত বছরের ২০ মার্চ জে’লা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিজনকে ৩০ কেজি ক’রে চাল দিয়ে এই পল্লী ল’ক’ডা’উ’ন ঘোষণা ক’রে।

এরপর ঈদুল ফিতরের আগে প্রতি সদস্যকে জে’লা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগদ ৫০০ ক’রে টাকা দেওয়া হয়। সোমবার দুপুরে সরেজমিন দেখা যায়, ল’ক’ডা’উ’নের কারণে কান্দাপাড়া যৌ”নপল্লীর প্রতিটি অলিগলির রাস্তা ফাঁকা। যৌ”নক’র্মী ছাড়া আর কেউ নেই ওই এলাকায়।

আবার অনেকেই কক্ষ ছেড়ে দেওয়ায় অনেকের বাড়িতে তালা ঝুলানো দেখা গেছে। এ প্রতিবেদকের স’ঙ্গে ব্যাগ ও হাতে খাতা-কলম দেখে কয়েকজন যৌ”নক’র্মী এগিয়ে আসেন ত্রাণসামগ্রী পাওয়ার আশায়। ত্রাণসামগ্রীর জন্য কয়েকজন তাদের নাম আগে লিখতে বলেন।

ছনিয়া আক্তার (৩৫) বলেন, খদ্দের না থাকায় ক’ষ্ট বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। চোখের ল”জ্জ্বায় কারও কাছে অভাবের কথা বলতেও পারি না। ঘরে খাবার না থাকায় প্রথম দুটি রোজা চাল পানি খেয়ে সেহরি ও ইফতার ক’রেছি। আয় রোজগার না থাকায় পল্লীর ভিতরের সদস্যদের কাছ থেকে তাদের পুরাতন জামা কাপড় এনে পরছি।

লাকি আক্তার বলেন, দেহব্য’ব’সা ছাড়া অন্য কোনো কাজ শিখিও নাই পারিও না। এই কাজ ক’রে নিজের সব খরচের পাশাপাশি বাড়ির বৃ’দ্ধ বাবা-মায়ের ও’ষু’ধ কেনার জন্য মাসে সাড়ে তিন হাজার ক’রে টাকা দিতে হয়। প্রায় দুই সপ্তাহ যাবত তাদের টাকাও দিতে পারি না। তারা টাকা চেয়ে কা’ন্না ক’রেন। আমি টাকা না দিতে পেরে কা’ন্না করি।

সরকারি কোনো সহযোগিতা পেলে রোজার মাসটা কোনোভাবে কা’টাতে পারতাম। সুইটি আক্তার বলেন, আগে প্রায় প্রতি মাসে একবার ক’রে নতুন কাপড় কিনতাম। এক বছর যাবত নতুন কাপড় কিনতে পারি না। আগের কাপড় দিয়েই চলতে হচ্ছে। আগামী ঈদেও নতুন কাপড় কিনতে পারব কিনা তাও জানি না।

নাম প্র’কা’শ না করার শর্তে এক না’রীনেত্রী বলেন, শুধু ক’র্মীরা মানবেতর জীবনযাপনই করছে না। আমরাও খুব ক’ষ্টে দিন পার করছি। ক’রো’না’ভা’ই’রা’স ের ভ”য়ে এমনিতেই মানুষ আসে না। ল’ক’ডা’উ’নের কারণে আরও আসে না। সব মিলিয়ে খুব ক’ষ্টে আছি। না’রী মুক্তি সংঘের আকলিমা আক্তার আঁখি বলেন, এই যৌ”নপল্লীর সদস্যরা মানবেতর জীবনযাপন ক’র’ছে’ন।

ল’ক’ডা’উ’নের কারণে খদ্দের না থাকায় বাড়িভাড়া, খাবার খরচসহ ব্যক্তিগত খরচ জোগাতে না পেরে প্রায় ৫০ জন ক’র্মী পল্লী ছেড়ে তাদের বাড়িতে চলে গেছেন। বাংলাদেশ মা’নবা’ধি’কা’র বাস্তবায়ন সংস্থা টাঙ্গাইল জে’লা শাখার সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আজাদ বলেন, ল’ক’ডা’উ’নের জন্য অন্যান্য পেশার মতো যৌ”নক’র্মীরাও ক্ষ’তিগ্রস্ত হয়েছেন।

কাজেই যৌ”নক’র্মীসহ অন্যান্য পেশাজীবীদের মানবিক কারণে সরকারি সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন। টাঙ্গাইলের জে’লা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি বলেন, প’তি,তা পল্লীসহ অন্যান্য পেশার যারা মানবেতর জীবনযাপন ক’র’ছে’ন সরকারিভাবে তাদের সহায়তা দেওয়া হবে।

টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন বলেন, ল’ক’ডা’উ’ন যেহেতু দীর্ঘ হচ্ছে- যৌ”নক’র্মীসহ আরও যারা ক্ষ’তিগ্রস্ত হচ্ছে তাদের মধ্যে সোমবার থেকে প্রাথমিকভাবে ইফতার সামগ্রী পরিবেশন করা হচ্ছে। এছাড়াও অন্যান্য সহায়তা দেওয়ারও প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *