মেয়েদের শরীরে যে অঙ্গ বেশি বড় হলে বেশি আনন্দ পাবেন

আমাদের দেশে এখনো কিছু কিছু গ্রাম রয়েছে যেখানে কন্যাসন্তান জন্ম নিলে রীতিমত শোক পালন করা হয়। অথচ তাদের সত্যিই কোন ধারণা নেই যে বর্তমান যুগে নারীরা কতটা এগিয়ে গেছে। পুরুষদের সাথেই কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে সমস্ত রকম দায়িত্ব সামলাতে পারে তারা।

লোকজনরা জানে না যে, পু’রু’ষরা একবার হলেও তাদের দুঃখ দিতে পারে কিন্তু নারীরা কখনই সেটা করে না। একথা একদম সত্যি যে বিয়ে দেওয়ার পর মেয়ে’রা মেয়েই থাকে কিন্তু ছেলেরা স্বামী হয়ে যায়। এই জগতে অ’মূল্য অবদান রয়েছে মহিলাদের। কারণ তাদের থেকেই সৃষ্টি হয় নতুন প্রাণের।

আরও পড়ুন : একই দিনে মা ও মেয়ের বিয়ে হয়েছে। তাও আবার একই মণ্ডপে! অবাক হলেও ঘটনাটি একেবারে সত্যি। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের উদ্যোগে গণবিবাহের আয়োজন হয়েছিল। সেখানেই মা ও মেয়ের বিয়ে হয়। পিপরেলি ব্লকের বেইলি নামের এক নারী তার দেওর জগদীশকে বিয়ে করেছেন। জগদীশের বয়স ৫৫। বেইলির ৫৩।

যেখানে শুধু মেয়ে ইন্দুর বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু একই মঞ্চে তার মা ও কাকার বিয়ে সেরে ফেলবেন বলে ঠিক করেন। বেইলির দুই মেয়ে ও দুই ছেলে। ২৫ বছর আগে তার স্বামী মা’রা যান। তারপর থেকে সন্তানদের মানুষ করেন তিনি।এদিকে, জগদীশ বিয়ে করেননি।

গণবিবাহের অনুষ্ঠানে জেলাপ্রশাসক, এসপি থেকে শুরু করে একাধিক প্রশাসনিক কর্তা হাজির ছিলেন। তবে মা ও মেয়ের বিয়ে নিয়েই যেন সবার মধ্যে আলাদা উৎসাহ ছিল। পেশায় কৃষক জগদীশ নিজের সিদ্ধান্তে গর্বিত ও খুশি। বড় ভাই হরিহর মা’রা যাওয়ার পর বউদির সঙ্গে মিলে পরিবারের দেখভাল করেছিলেন জগদীশ। ভাইদের মধ্যে তিনিই ছিলেন সব থেকে ছোট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *