কোন জিনিসের গন্ধ পেলে না’রীদের উ’ত্তেজনা বেড়ে যায় ১০০ গুন

যে জিনিসের গন্ধ পেলে না’রীদের উ’ত্তেজনা বেড়ে যায় ১০০ গুন- সু’খদায়ক বা স্যাটিস্ফায়িং একটি যৌ’ন মি’লনের প্রথম শর্ত হচ্ছে আপনার পার্টনারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল

হওয়া। আপনি যে আ’নন্দ পাচ্ছেন সেও ততটুকূ আ’নন্দ পাচ্ছেন কী না তা যখন আপনি নিশ্চিত করতে উৎসাহিত হবেন, তখনই যৌ’নমি’লন আপনে আপ স্যাটিস্ফায়িং হবে।

জল হ্যালিডে এবং নোয়া সোল নামে দুই বিজ্ঞানী এই বিশেষ ছত্রাকটি আবি’ষ্কার করেন।তাঁরা জানিয়েছেন, এই বিশেষ ছত্রাকের গন্ধ কোনও ম’হিলার নাকে যাওয়া মাত্রই তিনি

প্রচণ্ডভাবে উ’ত্তেজিত হয়ে পড়েন।ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ মেডিসিনাল মাশরুম পত্রিকাতেও একথা দাবি করা হয়েছে অনেক দেখা দেয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে ভালোও হয়। ভালো-ম’ন্দ মিলিয়ে স’হবা’স বন্ধ হওয়ার কারণে কী’ কী’ আসে জেনে নিন

মানুষের সঙ্গে দু’র্ব্য’বহার করতেও শুরু করে দিতে পারেন সেই না’রী। স্ক’টিশ গবেষকদের পরীক্ষায় জানা যায়,স’হবাস বন্ধ হয়ে গেছে এমন ম’হিলাদের নাকি লোকের সঙ্গে কথা বলতেও অ’সুবিধে হয়। এর কারণ, স’হবা’স করার সময় থেকে

যে ফি’ল গু’ড কে’মিক্যাল এ’ন্ডোর্ফিন ও অ’ক্সিটোসিন নিঃ’সরিত হয়, তা বন্ধ হয়ে যাওয়া। ই’উরিনারি ট্র্যা’ক্ট ই’নফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়:

স’ঙ্গ’মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূ’ত্র’নালীতে সং’ক্রমণ হতে পারে।প্র’স্রাবের সময় জ্বা’লায’ন্ত্রণা শুরু হতে পারে তখন।কিন্তু স’হবাস করা বন্ধ হয়ে গেলে ই’উরিনারি ট্র্যা’ক্ট স’ম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়।

স’র্দি কা’শি প্র’তিরোধ ক্ষমতা কমে যায়:মি’লন- করলে শরীরে রো’গ-জী’বাণুর প্র’বেশ ক’ষ্ট’কর হয়ে ওঠে। অর্থাৎ, শরীরে রো’গপ্র’তিরোধ শক্তি গড়ে ওঠে।

পে’নসিলভেনিয়ার উ’ইলকিসবারে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মত, সপ্তাহে অন্তত দু’বার স’হবা’স করলে ইমিউনোগ্লোবিন অ ছোটো করে বললে, ওমঅ।’

এই হর’মোনের নিঃ’সরণ শ’রীরে রো’গ প্র’তিরোধ ক্ষমতা বা’ড়ায় হ’রমোনের পরিমাণ ৩০% বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে স’র্দি, কা’শি, জ্ব’র হওয়ার প্র’বণতা কমে যায়।

কিন্তু মি’লন করা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে ক’মজো’রি হয়ে পড়ে না’রীশ’রীর। স’র্দি, কা’শির শুরু হয়। হৃ’দয় হা’র মানতে শুরু করে হ’রমোনের কাছে:

দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা বলছে, স’হবা’স করলে ভালো থাকে। হ’র’মোনের নিঃ’সরণ যথাযথ পরিমাণে হতে থাকে।কিন্তু অনেকদিন স’হবা’স বন্ধ থাকলে হৃ’দযন্ত্রে নে’তিবাচক সমস্যা তৈরি করতে পারে। শ’রীর ক’মজো’রি হয়ে পড়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *