যে ৫ কারণে প’রকী’য়া করে বি’বাহিত না’রীরা

পরকীয়া কথাটা এখন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। পরকীয়া করা খারাপ, এটা বাস্তব। বিবাহিত মহিলারা পরকীয়াতে বেশি জড়ানোর কারণ খোঁজ করেছেন একদল গবেষক।

তাঁরা মূলত ৫টি কারণ খুঁজে পেয়েছেন। ১) নিঃসঙ্গতা: চাকরি শেষে অনেক মহিলাই সন্ধ্যার মধ্যে ঘরে ফেরেন। কিন্তু তাঁদের স্বামীরা দেরি করে ফেরে।অনেকের স্বামী আবার অনেক দূরে কাজ করেন।

এর ফলে বিবাহিতাদের মধ্যে নিঃসঙ্গতা বাড়ে। এই জন্য পরকীয়ায় জড়ানোর সম্ভাবনা বাড়ে।২) লোভ: বিবাহিত জীবনে যৌন-সম্পর্কে অখুশি থাকে।৩) বুদ্ধিবৃত্তিক তারতম্য: স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে বুদ্ধিবৃত্তিক তারতম্য, বা ইন্টেলেকচুয়াল ডিফারেন্সর কারণেও পরকীয়া হয়ে থাকে।

৪) স্বামীর দৃষ্টি আকর্ষণের অভাব: নানারকম কারণে অনেকের ক্ষেত্রেই স্বামীর মনোযোগ পায়না। এ থেকেই আসে মনোভঙ্গ। এর থেকেই করে থাকে পরকীয়া।

৫) অর্থ এবং ক্ষমতা: ভারতে,পরপুরুষের অর্থ এবং ক্ষমতার লোভে অনেকে ঘর ছেড়ে গেছেন। কিন্তু ভারতে নারীদের সংখ্যা এই ক্ষেত্রে অনেক কম।সামর্থ্য হলে দেশের সব ভাস্কর্যই অপসারণ করব: মামুনুল

আইনি, নৈতিক, রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে সামর্থ্য হলে দেশের সব ভাস্কর্যই অপসারণ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন হেফাজতে

ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক। তিনি বলেন, তাদের এই অবস্থান ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে, কোনোভাবেই তা বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে নয়।

রবিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় পুরানা পল্টনে খেলাফত মজলিসের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।মামুনুল হক বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে একজন মরহুম মুসলিম নেতা হিসেবে পরিপূর্ণ শ্রদ্ধা করি

এবং তার রুহের মাগফিরাত কামনা করি। কখনো কোনোভাবেই এমন একজন মরহুম জাতীয় নেতার বিরুদ্ধাচরণ করি না এবং করাকে সমীচীনও মনে করি না।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে ভাস্কর্য স্থাপনের চেষ্টা করা হলে সামর্থ্যের মধ্যে এর বিরুদ্ধে তিনি বলেই যাবেন। তবে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোনো যুদ্ধে জড়াবেন না।

এমন কোনো পদক্ষেপ নেবেন না যেটা হঠকারী হয় বা জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে।এক প্রশ্নের জবাবে মামুনুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বুড়িগঙ্গায়

ভাসিয়ে দেওয়া বা এ ধরনের কোনো বক্তব্য দিইনি। আমি বলেছি, আদর্শিক জায়গা থেকে কোনো ভাস্কর্য রাখা হবে না তিনি বলেন,যখন থেকে ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে কথা বলছি, তখন থেকে দ্ব্যর্থহীনভাবে বলছি, ভাস্কর্য যারই হোক, জিয়াউর রহমানের হোক অথবা অন্য যারই হোক,

আমি ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে। সব ভাস্কর্য অপসারণের দাবি জানিয়ে আসছি।তিনি বলেন, আমাদের আইনগতভাবে, নৈতিকভাবে, রাজনৈতিকভাবেএবং রাষ্ট্রীয়ভাবে সামর্থ্য হলে জিয়াউর রহমানের ভাস্কর্যসহ সব ভাস্কর্যই আমরা মুসলমানদের জনপদ থেকে অপসারণ করার উদ্যোগ নেব।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মামুনুল হক বলেন, কোরআন–সুন্নাহর আলোকে পূর্বসূরিদের অনুসৃত পথে স্বচ্ছ রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লক্ষ অর্জনের চেষ্টা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *