প্রেসার বেড়ে বা কমে গেলে খুব দ্রুত যা করবেন এবং খাবেন

অহরহ অনেকের মুখে শুনে থাকবেন হঠাৎ করেই নাকি প্রেসার ওঠানামা করছে। জেনে রাখা ভা’লো এটি মোটেও কো’নো ভা’লো লক্ষণ নয়।
একজ’ন মা’নুষ যদি শারী’রিকভাবে সুস্থ থাকেন তাহলে অবশ্যই তার প্রেসার, পালস ও ওজ’ন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকতে হবে।যেস’ব লক্ষণে বুঝবেন প্রেসার ওঠানামা করছে

সা’ধা’রণত প্রেসার লো হলে মাথা ঘোরানো, ক্লান্তি, অ’জ্ঞা’ন হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, বুক ধড়ফড় করা, অবসাদ, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আ’সা ও স্বাভাবিক শ্বা’সপ্রশ্বা’স নিতেও ক’ষ্ট হয়। অ’তিরিক্ত ঘাম, ডায়রিয়া বা অত্যধিক বমি হওয়া, দে’হের ভেতরে কো’নো কারণে র’ক্তক্ষরণ হলে যেমন: র’ক্তবমি, পায়খানার স’ঙ্গে অ’তিরিক্ত র’ক্তক্ষরণ হলে, শারী’রিকভাবে আ’ঘা’তপ্রাপ্ত বা দুর্ঘ’টনার ফলে র’ক্তপাত ঘ’টলে এবং অ’পুষ্টিজ’নিত কারণেও লো

ব্লাড প্রেসার দেখা দিতে পারে।আবার গ’র্ভবতী মায়েদের গ’র্ভের প্রথম ৬ মা’স হরমোনের প্র’ভাবে লো প্রেসার হতে পারে। এ স’ময় মাথা ঘোরানো বা মাথা হালকা অ’নুভূত হওয়া, মাথা ঘুরে অ’জ্ঞা’ন হয়ে যাওয়া, বসা বা শোয়া থেকে হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘোরা বা ভা’রসা’ম্যহীনতা, চোখে অ’ন্ধকার দেখা, ঘন ঘন শ্বা’সপ্রশ্বা’স নেয়া, হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া, খুব বেশি তৃষ্ণা অ’নুভূত হওয়া, অস্বাভাবিক দ্রু’ত হৃদকম্পন, নাড় বা পালসের গ’তি বেড়ে যায়।হঠাৎ প্রেসার বেড়ে গেলে কী করবেন?শাকস’বজি, ফল ও শস্যদানা

হঠাৎ প্রেসার বেড়ে গেলে কিছু খাবার আ’পনি খেতে পারেন। বেশি ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায় দানা শস্য বা গোটা শস্য, বিচি জাতীয় খাবার, বাদাম, শিমের বিচি, ডাল, ছোলা, লাল চালের ভাত, লাল আটা, আলু, স’বুজ শাকস’বজি, টমেটো, তরমুজ, দুধ ও দই ইত্যাদি।এস’ব খাবারে বেশ উপকার পাবেন।কম চ’র্বিযু’ক্ত খাবারহঠাৎ প্রেসার বেড়ে গেলে কম চ’র্বিযু’ক্ত দুধ বা চ’র্বিবিহীন দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার প্র’তিদিন খেতে হবে ২

থেকে ৩ সার্ভিং। এক সার্ভিং দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার মা’নে আধা পাউন্ড বা এক গ্লাস দুধ অথবা এক কাপ দই।টুকরো করে আধাকাপ ফলযাদের উ’চ্চ র’ক্তচা’পের স’মস্যা রয়েছে তারা ফল খেতে পারেন।টুকরো টুকরো করে কা’টা আধাকাপ ফল কিংবা মাঝারি সাইজের একটা আ’পেল বা অর্ধেকটা ক’লা অথবা আধাকাপ ফলের রস এতে হবে ফলের এক সার্ভিং। ফলের রসের চেয়ে আস্ত ফলই ভা’লো।শাকস’বজি ৪ থেকে ৫

সার্ভিংশাকস’বজি প্র’তিদিন প্রয়োজ’ন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। শাকস’বজির এক সার্ভিং মা’নে এক কাপ কাঁচা শাক বা আধাকাপ রান্না করা শাক।দানা শস্য ৭ থেকে ৮ সার্ভিংদানা শস্য প্র’তিদিন দরকার ৭ থেকে ৮ সার্ভিং। দানা শস্যের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক স্লাইস রুটি অথবা আধাকাপ ভাত বা এক কাপ প’রিমাণ গোটা দানা শস্য।বিচি জাতীয় খাবারবিচি জাতীয় খাবার প্র’তি সপ্তাহে প্রয়োজ’ন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। বিচি জাতীয় খাবারের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক কাপের তিন ভাগের এক ভাগ বাদাম বা আধাকাপ রান্না করা শিম বা মটরশুঁটি।হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে কী করবেন?

ব্লাড প্রেসার বা র’ক্তচা’প মা’নবদে’হে র’ক্ত সঞ্চালনে চালিকাশ’ক্তি হিসেবে কাজ করে। মা’নবদে’হে র’ক্তচা’পের একটি স্বাভাবিক মাত্রা আ’ছে। তার ও’প’র ভিত্তি করেই উ’চ্চ র’ক্তচা’প বা হা’ই ব্লাড প্রেসার ও নিম্ন র’ক্তচা’প বা লো ব্লাড প্রেসার প’রিমাপ করা হয়। উ’চ্চ র’ক্তচা’পের মতোই নিম্ন র’ক্তচা’পও কিন্তু শ’রীরের জ’ন্য ক্ষ’তিকর। লো ব্লাড প্রেসারের আরেক নাম হা’ইপোটেনশন।চি’কিৎসকের মতে, একজ’ন সুস্থ স্বাভাবিক মা’নুষের

র’ক্তচা’প থাকে ১২০-৮০। অন্যদিকে র’ক্তচা’প যদি ৯০-৬০ বা এর আশপাশে থাকে তাহলে লো ব্লাড প্রেসার হিসেবে ধরা হয়। প্রেসার যদি অ’তিরিক্ত নেমে যায় তাহলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃদপিণ্ডে সঠিকভাবে র’ক্ত প্র’বা’হিত হতে পারে না তখন এ রো’গ দেখা দেয়। আবার অ’তিরিক্ত

প’রিশ্রম, দুশ্চি’ন্তা, ভ’য় ও স্নায়ুর দুর্বলতা থেকে লো ব্লাড প্রেসার হতে পারে।আসুন জেনে নেই হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে কী করবেন।লবণ-পানিলবণ র’ক্তচা’প বাড়ায়। কারণ এতে সোডিয়াম আ’ছে। তবে পানিতে বেশি লবণ না দেয়াই ভা’লো। স’বচেয়ে ভা’লো হয়, এক গ্লাস পানিতে দুই চা-চামচ চিনি ও এক-দুই চা-চামচ লবণ মিশিয়ে খেলে। তবে যাদের ডায়াবেটিস আ’ছে, তাদের চিনি বর্জ’ন করাই ভা’লো।

কফি-হট চক’লেটহঠাৎ করে লো প্রেসার দেখা দিলে এক কাপ কফি খেতে পারেন। স্ট্রং কফি, হট চকো’লেট, কমল পানীয়স’হ যে কো’নো ক্যাফেই’নস’মৃদ্ধ পানীয় দ্রু’ত ব্লাড প্রেসার বাড়াতে সাহায্য করে। আর যারা অনেক দিন ধ’রে এ স’মস্যায় ভুগছেন, তারা সকালে ভারি নাশতার প’র এক কাপ কফি খেতে পারেন।বিটে’র রস’বিটে’র রস হা’ই ও লো প্রেসার দুটোর জ’ন্য স’মা’ন উপকারী। এটি র’ক্তচা’প স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এভাবে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন।বাদামলো প্রেসার হলে পাঁচটি কা’ঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চিনাবাদাম খেতে পারেন। এটা

প্রেসার বাড়াতে স’হায়তা করে।পুদিনাভিটামিন ‘সি’, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রু’ত ব্লাড প্রেসার বাড়ানোর স’ঙ্গে স’ঙ্গে মা’নসিক অবসাদও দূর করে পুদিনা পাতা। এর পাতা বেটে নিয়ে এর স’ঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।যষ্টিমধুআদিকাল থেকেই যষ্টিমধু বিভিন্ন রো’গের মহৌষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দিয়ে রে’খে দিন। ২-৩ ঘণ্টা প’র পান করুন। এছা’ড়া দুধে মধু দিয়ে খেলেও উপকার পাবেন।স্যালাই’নশ’রীরে পানিশূন্যতা ও ইলেকট্রোলাইট ভা’রসা’ম্যহীনতার কারণে নিম্ন র’ক্তচা’প হলে শুধু খাবার স্যালাই’ন মুখে খেলেই প্রেসার বেড়ে যায়। লো ব্লাড প্রাসারে খাবার স্যালাই’ন স’বচেয়ে উপযোগী এবং তাৎক্ষণিক ফলদায়ক।

আপনাদের মা বাবা ভাই বোন কারো যদি ডায়াবেটিস থাকে তবে এই পোস্টটি আপনার জন্য!

আপনাদের মা বাবা ভাই বোন কারো যদি ডায়াবেটিস থাকে তবে এই পোস্টটি আপনার জন্য! ঢেঁড়শ (অন্য নাম ভেন্ডি) মালভেসি পরিবারের এক প্রকারের সপুষ্পক উদ্ভিদ (tree)। এটি তুলা, কোকো ও হিবিস্কাসের সাথে সম্পর্কিত। ঢেঁড়শ গাছের কাঁচা ফলকে সবজি হিসাবে খাওয়া হয়। ঢেঁড়শের বৈজ্ঞানিক নাম Abelmoschus esculentus; অথবা Hibiscus esculentus L।ঢেঁড়শ গাছ একটি বর্ষজীবী উদ্ভিদ, যা ২ মিটার পর্যন্ত লম্বা (long) হয়।

এর পাতা ১০-২০ সেমি দীর্ঘ এবং চওড়া। পাতায় ৫-৭টি অংশ থাকে। ফুল হয় ৪-৮ সেমি চওড়া, পাঁপড়ির রঙ সাদাটে হলুদ, ৫টি পাঁপড়ি থাকে। প্রতিটি পাঁপড়ির কেন্দ্রে লাল বা গোলাপী বিন্দু থাকে। ঢেঁড়শ ফল ক্যাপসুল আকারের, প্রায় ১৮ সেমি দীর্ঘ, এবং এর ভেতরে অসংখ্য বিচি থাকে।

ঢেড়শকে ইংরেজিতে বলা হয় ওকরা (Okra)। আমেরিকার বাইরের ইংরেজিভাষী স্থানে এটি লেডিজ ফিঙ্গার (Lady’s Fingers) নামেও পরিচিত ,। কোনো কোনো স্থানে, যেমন আমেরিকার কিছু অংশ এবং ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে এটি গাম্বো (gumbo) নামেও খ্যাত, যা এসেছে এর পর্তুগিজ নাম “quingombo,” থেকে, যার আদি উৎস হলো পূর্ব আফ্রিকীয় শব্দ “quillobo,”

ওকরা নামটি পশ্চিম আফ্রিকা থেকে এসেছে।[৩] আফ্রিকার বান্টু ভাষায় এটাকে বলা হয় কিঙ্গুম্বো। আরবি ভাষায় এর নাম বামিয়া । দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এটিকে ভেন্ডি বা ভিন্ডি বলা হয়।Okra flower bud and immature seed pod

ঢেঁড়শের আদি নিবাস ইথিওপিয়ার উচ্চভূমি এলাকায়। সেখান থেকে কীভাবে এটি অন্যত্র ছড়িয়ে যায়, তা জানা যায় না। মিশরীয় ও মূর জাতির বিভিন্ন রচনায় ১২শ ও ১৩শ শতকে আরবি ভাষায় ঢেঁড়শের কথা উল্লেখ রয়েছে। এতে ধারণা করা যায় যে, প্রাচ্য হতেই এটি সেখানে এসেছে।

সম্ভবত ইথিওপিয়া হতে লোহিত সাগর বা আরব উপদ্বীপের নিকটবর্তী বাব-আল-মান্দিব প্রণালী পেরিয়ে এটি আরবে ও পরে ইউরোপে যায়। ১২১৬ সালে এক স্পেনীয় মূর জাতির ব্যক্তির লেখায় এর উল্লেখ রয়েছে। মিশর ভ্রমণকালে এই মূর তার রচনায় উল্লেখ করেন, স্থানীয় ব্যক্তিরা ঢেঁড়শের ফল আটার সাথে মিশিয়ে খেতো আপনাদের মা, বাবা, ভাই,বোন, কারো ডায়াবেটিস যদি থাকে তাদের জন্য এই পরামর্শ। ৩/৪ দিন খালি পেটে খাবেন তিনটি ঢেঁড়স মাথা কেটে রাতে ১গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন সকালে খালি পেটে পানি টুকু খাবেন। তারপর ডায়াবেটিস মেপে দেখবেন।

আপনার শিশুর পুষ্টির ঘাটতি মেটাতে কোন কোন খাবার হয়ে উঠতে পারে ডিমের বিকল্প? জানুন বিস্তারিত

সস্তায় পুষ্টিকর ও প্রোটিনের অন্যতম সেরা উৎস হলেও ডিম নিয়ে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে অনেক অভিভাবকেরই। সাধারণত শিশুরা ডিম বা ডিম দিয়ে বানানো খাবার পছন্দই করে। অনেক সময়ই দেখা যায়, যে শিশুর মাছ-মাংসে অত সায় নেই, তারও কিন্তু ডিমের প্রতি একটা অদম্য টান থাকে। কিন্তু কেবল মনই নয়, পেটেও তো সইতে হবে!

আর এখানেই অভিভাবকেরা পড়েন সমস্যায়। পুষ্টিবিদরা ডায়েটে ডিম রাখতে বললেও অনেক সময় দেখা যায় ডিমে সন্তানের অ্যালার্জি। তাই পাতে ডিম তুলে দেওয়ায় তৈরি হয় নানা জট। একটি ডিম থেকে প্রায় ৬০-৭০ ক্যালোরি শক্তি তো মেলেই, পাশাপাশি প্রোটিনেরও একটি বিরাট ভাণ্ডার এই ডিম। ডিমের কুসুমে সব রকম খাদ্যোপাদানের ভারসাম্য থাকে বলে সুষম খাবারের তকমাও তার। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজের অনেকটাই জোগান দিতে পারে এক টুকরো ডিম।

অনেকেই চিন্তায় পড়েন এই ভাবনায় এসেই। ডিমই যদি বারণ হয়ে যায়, তা হলে তো সন্তানের পুষ্টির সঙ্গে অনেকটাই আপস করতে হচ্ছে! অনেক মা-বাবাই সে ক্ষেত্রে সিরিয়াল কোনও সাপ্লিমেন্ট বা প্রোটিন শেকগুলির শরণ নিয়ে থাকেন। তবে এই ধরনের সাপ্লিমেন্ট বা বাজারচলতি প্রোটিন শেক খুব একটা কাজের নয় বলেই মত পুষ্টিবিদদের। বরং তাঁদের মতে, ডিমের ঘাটতি মেটাতে হবে সারা দিনের অন্য খাবার দিয়েই।

কোন কোন খাবার হয়ে উঠতে পারে ডিমের বিকল্প?
টক দই: প্রতি দিন শিশুর ডায়েটে রাখুন এটি। লিভারে যেমন প্রোবায়োটিক উপাদানের জোগান বাড়বে, তেমনই ডিম থেকে পাওয়া ক্যালসিয়ামের অনেকটা পূরণ করতে পারে এই খাবার। দই-ভাত, সালাডে দই বা ওটসের সঙ্গে দই— শিশুর রোজের ডায়েটে রাখুন। দিনে অনেকটা টক দই ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখে।

সয়াবিন: ডিম বন্ধ হলে সয়াবিনকে নিয়ে আসুন খাবারের পাতে। প্রতি দিন ডিম থেকে যে পরিমাণ প্রোটিন মিলত, সয়াবিনের হাত ধরে এ বার সেটুকু যাবে সন্তানের পুষ্টিতে। উদ্ভীজ্জ প্রোটিনের অন্যতম সেরা উৎস এই সয়াবিন। তবে সয়াবিন থেকে তৈরি হওয়া ফ্লেক্স বা অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত খাবারের চেয়ে সয়াবিনের তরকারি বা সালাড বানিয়ে দিন শিশুকে। প্রক্রিয়াজাত খাবারে কৃত্রিম নানা উপাদান মেশানো থাকে। থাকে অতিরিক্ত চিনি ও ট্রান্স ফ্যাট। তাই ও সব এড়িয়ে তরকারি, সয়াবিনের দুধ, বা সালাডে সয়াবিন যোগ করে দিন শিশুকে।

পনির: ডিম নেই এমন যে কোনও বেকড খাবারে ছানা বা পনিরকেই ডিমের বিকল্প হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। ছানাকে ভাল ভাবে ব্লেন্ড করে নিন। অনেকটা ক্রিমের মতো থকথকে হয়ে উঠলে তা দিয়ে বানিয়ে দিন শিশুর মনের মতো ছানার তরকারি। পনিরের টুকরো বা ছানা ভাজা মিশিয়ে দিন রোজের সালাডে। ছানা ব্লেন্ড করে রুটির মধ্যে পুর আকারে ভরে টিফিনেও দিতে পারেন। পনির-পরোটা এড়ান শিশুর স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই। তবে মাঝেসাঝে মুখ বদলাতে হালকা তেলে পনির-পরোটা বানিয়ে দিতে পারেন।

কলা: বেশির ভাগ শিশুই ফল খেতে খুব একটা পছন্দ করে না। কিন্তু ছোট থেকেই এই অভ্যাস তৈরি করুন। একবারে অনেকটা খেতে না চাইলেও নানা ভাবে বারে বারে ফলকে রাখুন ডায়েটে। একটু টক দই ও গোলমরিচ ছড়িয়ে বানিয়ে দিন ফ্রুট সালাড। ডিম খাওয়া বারণ হলে এই সালাডের প্রধান উপকরণ করুন কলাকে। এই ফলে পটাশিয়ামের প্রাচুর্য থাকে। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকেও রক্ষা করে শিশুকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *