প্রতিদিনের এই ৬টি কাজ আমাদের প্রতিনিয়ত ঠেলে দিচ্ছে মৃত্যুর দিকে, ভুলেও করবেন না!

প্রতিদিনের এই ৬টি কাজ আমাদের প্রতিনিয়ত ঠেলে দিচ্ছে মৃত্যুর দিকে, ভুলেও করবেন না!

প্রতিদিন আমরা এমন কিছু কাজ করি যার মধ্যে কিছু ঠিক আবার কিছু ভুল। তারই মধ্যে কিছু কাজ রয়েছে যা আমাদের প্রতিনয়ত ঠেলে দিচ্ছে মৃত্যুর দিকে। বিশ্বায়নের এই যুগে নানান রকম জিনিস আমারা ক্রয় করছি, যা আমাদের শরীরের পক্ষে মোটেও ভালো নয়। আসুন তাহলে জেনে নি সেই জিনিস গুলি কি কি আর তা এক্ষুনি বর্জন করুন…

১। আমরা বর্তমানে সকলেই প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার খাই ও প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার রাখি। কিন্তু এটা যে আমাদের শরীরের কি ক্ষতি করে তা আমাদের কোন ধারনা নেই। বিশেষজ্ঞরা বলেন কোন প্লাস্টিকের পাত্রে ৫ ঘন্টার বেশি খাবার রাখলে তা আর খাওয়া উচিত নয়। কারন প্লাস্টিক থেকে বিষক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে।

২। এখন অনেকেই ক্রক্স জুতো পড়েন। এই জুতোর এখন বিশাল চল। কিন্তু এই জুতো পড়া একদম উচিত নয়। এই জুতো পড়লে পায়ের নানা রকম রোগ হতে পারে।

৩। সুন্দর দেখাবার জন্য মেয়েরা চোখে মাসকারা ব্যবহার করেন। মেয়েদের কাছে এটা খুব পছন্দের জিনিস। কিন্তু এটা থেকেই হতে পারে চোখের নানা রকম রোগ। কারন মাসকারায় থাকে নানা রকম ফাঙ্গাস ব্যাক্টেরিয়া। তাই এখন থেকে সব মেয়েরা মাসকারা ব্যবহার বন্ধ করুন। এর ফলে আপনি একটা সুস্থ জীবন কাটাতে পারবেন।

৪। হাতল বিহীন কড়াই আমাদের প্রতিদিনের জীবনে একটি প্রয়োজনীয় রান্নার সরঞ্জাম। অনেকেই হাতল ছাড়া কড়াইতে রান্না করেন। যখন আগুনের তাপ বেড়ে ২৩০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের বেশি হয় তখন কিছু ক্ষতিকর উপাদান করাইয়ের উপর ভেসে ওঠে। গবেষকরা বলেন সেখানে কিছু বিষযুক্ত উপাদান থাকে যা খাবারের মধ্যে মিশে যায়। আর যা খাবার ফলে ক্যান্সারের মত রোগ হতে পারে।

৫। টিভিতে নানা রকম ব্যাকটেরিয়া নাশক সাবানের বিজ্ঞাপন আমরা দেখি। আর সেই দেখে আমরা ব্যাকটেরিয়া নাশক সাবান কিনে আনি। কিন্তু সেগুলো কোন ব্যাকটেরিয়া নাশক নয়। শুধুমাত্র টাকা বেশি নেওয়ার ধান্দা। কারন গবেষকরা বলেন হাতে কোন ব্যাকটেরিয়া থাকলে তা সাধারণ সাবানে চলে যায়। কিন্তু ব্যাকটেরিয়া নাশক সাবান ব্যবহার করলে তার থেকে হতে পারে হরমনাল ভারসাম্যহীনতা।

৬। টয়লেট ঠিকভাবে ব্যবহার না করলে হতে পারে শরীরে নানা রকম সমস্যা। টয়লেটে আসল বসার নিয়ম হল ৯০ ডিগ্রী অ্যাঙ্গেল এ। নাহলে পেট ঠিক মত পরিষ্কার হয়না। আর শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে।

আরো পড়ুন
পেটের মেদ বাড়ার অবাক করা ছয় কারণ!

পেটের মেদ বাড়ার- পেটের মেদ নিয়ে চিন্তিত নারী-পুরুষ উভয়েই। সারাদিন বসে কাজ করার ফলে এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসও এর জন্য দায়ী। জটিল এই সমস্যা থেকে বাঁচতে কত কিনা করেন সবাই।

তবে আসল সমস্যাটি কোথায় তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। অনেকসময় কম খেলেও ভুড়িটা নিজের ইচ্ছেমত বেড়েই চলে। আসুন জেনে নেই এমন ছয়টি অবাক করা কারণ যার ফলে পেটের মেদ বাড়ে-

> সারা দিনে ঘুরতে ফিরতে, কাজের ফাঁকে কিছু-না-কিছু খাওয়া হয়েই যায়। কিন্তু এই খাবারগুলো মুখরোচক স্ন্যাক্স হলেই সমস্যা। ফাস্ট ফুড খেতে ভালো হলেও স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই ঠিক নয়। তার বদলে যদি ফল, আমন্ড বা স্যালাড খাওয়া যায়, তাতে উপকার হবে।

> অনেকেই দই খেতে পছন্দ করেন না। যা পেটের মেদ বাড়ার অন্যতম কারণ। তাই দই খাওয়ার অভ্যাস করুন। কারণ এতে যে ‘গুড ব্যাক্টেরিয়া’ থাকে, তা হজমে সাহায্য করে। ফলে পেটে মেদ বাড়ার সুযোগ হয় না।

> কর্নেল ইউনিভারসিটির বিশেষজ্ঞদের মতে, নেগেটিভ ইমোশান থাকলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা হয়। যা শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক। তাই নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

> তৃষ্ণা পেলে অনেকেই সফট ড্রিঙ্কস পান করে। এতে অত্যাধিক ক্যালোরি রয়েছে যা শরীরে মেদ বাড়িয়ে দেয়।

> স্লিম হতে গিয়ে অনেকেই খাওয়া-দাওয়া কমিয়ে দেয়। চিকিৎসকদের মতে, খাবারের পরিমাণ কমালে সমস্যা নেই। কিন্তু, বেশিক্ষণ না খেয়ে থাকলেও পেটে মেদ জমে।

> অফিসে বা অন্য কোনো কাজ করার সময় একভাবে অনেকক্ষণ বসে থাকলেও বেলি ফ্যাট বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি এক থেকে দেড় ঘণ্টা অন্তর নিজের সিট থেকে উঠে খানিকক্ষণ হাঁটাচলা করা উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *