ঘনিষ্ট মুহুর্তে স্ত্রীর কাছে যে কথাগুলো শুনলে পুরুষ শিহরিত হয়ে মি’লনে দারুন মজা দেয় স্ত্রীকে

আমরা সধারনত জানি মে’য়েরা তার স’ঙ্গির মুখে নিজের প্রশংসা শুনতে বেশি পছন্দ করে। বিশেষ করে সেইসব ব্যাক্তিগত মুহুর্তে তারা লজ্জায় নিজেদের মুখ খুলতে চায় না।

কিন্তু তারা যৌ-ন সু’খ উপভোগ করে। তারা চায় বিছানায় সব টুকু দায়িত্বই তার পুরু’ষ স’ঙ্গী পালন করুক। মে’য়েরা লজ্জায় নিজের মি’লনের ই’চ্ছার কথাও মুখ ফুটে বলেনা। তারা চায় তার স’ঙ্গী তাকে পরিতৃ’প্ত করুক।

কিন্তু সমীক্ষা বলছে অন্য এক কথা। গবেষকরা বলছেন শুধু পুরু’ষ নয় না’রীরাও চাইলে পুরু’ষদের উ’ত্তেজনা বাড়াতে পারে শুধুমাত্র কিছু কথা বলে। পুরু’ষেরা চায় তার স’ঙ্গিনী ঘরে বাইরে তার প্রশংসা করুক।

তারা আরো বেশি আ’নন্দ পায় যদি বিছানায় নিজেদের প্রশংসা শোনে। তাতে তাদের যৌ-ন উ’ত্তেজনা আরো বেড়ে যায়। আর তারা নিজির স’ঙ্গিনীকে আরো বেশি সু’খ দিতে চায়। আসুন তাহলে জেনে নিন কি কি সেই কথা যা শুনে পুরু’ষেরা আরো বেশি উ’ত্তেজিত হয়ে পড়ে –

১। “তুমি আমার খুশি হওয়ার একমাত্র কারন”, আপনার স্বা’মী হোক বা প্রে’মিক, তাকে একবার এই কথা বলুন। আর কোন বিশেষ মুহুর্তে বললে তো কোন কথাই নেই। তাতে সে অনেক খুশি হবে। আর খুশি হলে আপনার জন্যই ভালো। আপনাকে সে আরো বেশি ভালোবাসবে।

২। “ইউ আর মাই হিরো”, সব পুরু’ষই নিজের স্ত্রী বা প্রে’মিকার কাছে হিরোর মতোই থাকতে চায়। তারা চায় সিনেমায় যেমন হিরো হিরোইনদের সব বি’পদ থেকে রক্ষা করে, তেমন বাস্তবেও পুরু’ষেরা চায় তার স’ঙ্গিনী তাকে বলুক যে সে তার কাছে হিরো।

৩। “তোমাকে অনেক ধ’ন্যবাদ” হতে পারে আপনার স’ঙ্গী আপনার নিজের মানুষ, খুব কাছের একজন। কাছের কোন মানুষকে ধ’ন্যবাদ জানানো ঠিক কথা নয়,

তবুও আপনার স’ঙ্গীকে ধ’ন্যবাদ জানান। এতে সে অনেক খুশি হবে। আপনাকে সে যেমন ভাবেই রাখুক না কেন আপনি তাকে ধ’ন্যবাদ জানাতে ভু’লবেন না।

৪। এছাড়াও অনেক কথা আছে যা মি’লনের সময় স’ঙ্গীকে বললে সে খুব খুশি হবে। যেমন- মে’য়েরা যদি তার স’ঙ্গীর ঠোটে ঠোঁট লাগিয়ে চু’ম্বন করে এবং তার পুরু-ষাঙ্গে আলতো করে স্পর্শ করে তাহলে ছেলেরা তাতে খুব খুশি হয়।

এ ছাড়াও মে’য়েরা মি’লনের করার সময় যদি তার পার্টনারকে ‘তোমার পুরু-ষা-ঙ্গ অনেক বড়, তুমি আমায় সর্ব সু’খ দাও, তুমি আমার জীবনের একমাত্র সুপুরু’ষ’ ইত্যাদি কথা বলে তাহলে তাদের যৌ-ন ক্ষ’মতা দ্বিগুন হারে বেড়ে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *