বৃটিশদের এদেশে “ম্যাগ’নেটিক” পিলার স্থাপনের গো’পন রহস্য

বৃটিশ কর্তৃক এদেশে “ম্যাগ’নেটিক” পিলার স্থাপনের গোপন রহস্য!- অনেক গুজব ও জনশ্রুতি আছে এই প্রাচীন ‘ম্যাগনেটিক’সীমানা পিলার স্থাপন নিয়ে। কেউ কেউ এটিকে প্রাচীন মূল্যবান ‘ম্যাগনেটিক’

পিলার বলে আখ্যায়িত করছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন এর মাধ্যমে বৃটিশরা আসলে এদেশের সব গোপন তথ্য চুরি করে নিয়ে যায়। তবে আসল ঘটনা হচ্ছে- এদেশে বৃটিশদের শাষনের সময়কালে সীমানা পিলারগুলো ফ্রিকুয়েন্সি অনুযায়ী

একটি থেকে আরেকটির দুরত্ব মেপে মাটির নীচে পুতে রাখা হয়েছিলো। যেগুলোর মধ্যে পিতল, তামা, লোহা, টাইটেনিয়ামসহ ধাতব চুম্বক সমন্বয়ে গঠিত হওয়ার কারনে বজ্রপাত হবার সময়ে ইলেকট্রিক চার্য তৈরী হয় সেটি সরাসরি

এই পিলারগুলো শোষন করে আর্থিং এর কাজ করতো। এতে করে বজ্রপাত হতো কিন্তু মানুষ মারা যেতোনা। অসাধু কিছু লোক এই পিলারগুলো অনেক দামে বিক্রি করা যায় এরকম গুজব ছড়ায়। এ কারনে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে

পিলারগুলো নিষ্চিন্ন হয়ে গেছে। কিছু লোক এগুলোকে মহামুল্যবান বলে অপপ্রচার করে খুজে বের করে চুরি করে নিয়ে গেছে।

উপার্জনের ৯০% বিলিয়ে দিয়ে মাকে নিয়ে এক কামরার ঘরে থাকেন নানা পটেকর!
নিজের উপার্জনের প্রায় অধিকাংশ মানুষের কল্যাণে বিলিয়ে দেন তিনি। মানবিকতার পরিচয় এর আগেও তিনি বহুবার দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি একটি এক কামরার ফ্লাটে থাকেন।

1951 সালে মহারাষ্ট্রের রায়গড়ে জন্ম নানা পাটেকরের। 13 বছর বয়সে পড়াশোনা করার পাশাপাশি বাবাকে সাহায্য করার জন্য ফিল্মের পোস্টার এঁকে কিছু রোজগার করতেন এই মহান অভিনেতা। সেই সময় পোস্টার পিছু 35 টাকা করে পেতেন। ছোটবেলায় তিনি নাকি অনেক দুষ্টুমি ও করতেন। জানা যায় একবার নাকি এই মহান অভিনেতার মা দুষ্টুমি করার জন্য তাকে মাসির বাড়িতে দিয়ে এসেছিলেন।

এরপর দুদিন পেরোতে না পেরোতেই নানার মাসি আবার তাকে বাড়িতে দিয়ে এসেছিলেন। নানা নাকি ছোটবেলায় তার ভাই-বোনেদের কুবুদ্ধি দিতেন, এমনটাই অভিযোগ। এরপর যখন তার কলেজ জীবন শুরু হয় তখন থেকেই তিনি নাটকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যান। এমনকি কয়েকটি বিজ্ঞাপন এজেন্সির হয়েও কাজ করেন তিনি। এরপর 27 বছর বয়সে তার কলেজ সহপাঠী নীলকান্তি পাটেকরকে বিয়ে করেন তিনি।

বিয়ের একবছর পরেই নানা তার বাবাকে হারায়। হারান প্রথম সন্তানকেও। এরপরও তিনি হার মানেননি।1978 সালে ‘গমন’ ছবি দ্বারা বলিউডে প্রথম পা রাখেন তিনি। তিনি প্রথম ছবিতে দর্শকদের মন জয় করে নেন। এমনকি কয়েকটি বিজ্ঞাপন এজেন্সির হয়েও কাজ করেন তিনি।

এরপর 27 বছর বয়সে তার কলেজ সহপাঠী নীলকান্তি পাটেকরকে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের একবছর পরেই নানা তার বাবাকে হারায়। হারান প্রথম সন্তানকেও। এরপরও তিনি হার মানেননি।1978 সালে ‘গমন’ ছবি দ্বারা বলিউডে প্রথম পা রাখেন তিনি। তিনি প্রথম ছবিতে দর্শকদের মন জয় করে নেন। মুম্বাইয়ের মাত্র 750 স্কয়ার ফিটের একটি এক কামরার ফ্লাটে বসবাস তার।

2015 তে তিনি একটি নিজস্ব সংস্থা তৈরি করেন যার নাম ‘নাম ফাউন্ডেশন’। এই সংস্থা মহারাষ্ট্রের খরা কবলিত অঞ্চল গুলিতে কাজ করে। তিনি যত সমাজ কল্যাণ মূলক কাজ করেন সমস্তই তাঁর নিজের ইচ্ছায় করেন। শিবসেনা তরফ থেকে পাওয়া প্রস্তাব ইতিমধ্যেই ফিরিয়ে দিয়েছেন অভিনেতা নানা পাটেকর। কারণ রাজনীতিতে আসবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। মানুষের উপকার করলে নাকি তার মন শান্ত থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *