মেয়েদের সে’ক্স উঠলে যা করে

বিয়ে হয়েছে বেশ অনেকদিন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমি কখনোই আমার স্ত্রীর যৌ’ন উ’ত্তেজনা বুঝতে পারি না। মিলনের সময়তেও সে চুপচাপ থাকে। সে যৌ’ন মিলনে আনন্দ পাচ্ছে কিনা এটাও বোঝার উপায় নেই।

সে কখনো নিজে থেকে আমার কাছে আসে না, আমি আহবান করলে এক প্রকার অনিচ্ছা নিয়েই যেন আসে। কীভাবে বুঝব স্ত্রী যৌ’ন উ’ত্তেজিত কিনা? কিংবা কীভাবে বুঝব যৌ’ন মিলনে সে আ’গ্রহী কিনা?

উত্তরঃ- নারীদের যৌ’ন উত্তেজনার বেশ কিছু লক্ষণ আছে। একজন নারী যৌ’নতার আ’গ্রহে উ’ত্তেজিত হলে তাঁর যো’নি পি’চ্ছিল হয়ে উঠবে, এটা মোটামুটি সকলেই জানেন। কিন্তু এর বাইরেও কিছু বাহ্যিক লক্ষণ আছে, যেগুলো দেখে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার স্ত্রী বা প্রেমিকা যৌ’ন মিলনে আগ্রহী।
যেমন-

নারীরা যৌ’ন মিলনে আগ্রহী হলে তাঁদের ঠোঁট র’ক্তাভ হয়ে ওঠে। স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বেশি লাল হয়ে যায় ঠোঁট। নারীদের গালেও লা’লিমা দেখা দেয় উ’ত্তেজনায়। অনেকে একটু একটু ঘামেন, নিঃ’শ্বাস ভারী হয়ে আসে।

যৌ’ন উ’ত্তেজিত হলে শরীর খুবই স্প’র্শকাতর হয়ে ওঠে। আপনার সামান্য স্প’র্শেই শি’হরিত হয়ে উঠবেন তিনি। যতই লাজুক স্বভাবের নারী হোন না কেন, যৌ’ন মিলনে আগ্রহী হলে তিনি নিজেই আপনার কাছে আসবেন।

হয়তো সরাসরি কিছু না বললেও আপনার কাছে এসে বসবেন, আ’লতো স্প’র্শ করবেন, চু’মু খাবেন, চো’খের ইশারায় কথা বলবেন। প্র’বল উ’ত্তেজনার সময় যৌ’ন মিলন কালে তিনি আপনাকে আঁ’চড়ে কামড়ে দেবেন। হাতের নখ আপনার শরীরে গেঁথে বসতে পারে, গলায় কানে ইত্যাদি স্থানে তিনি কা’মড় দেবেন উ’ত্তেজনায়।

এছাড়াও মিলনের সময় শীৎকারে বুঝবেন যে তিনি আনন্দ পাচ্ছেন ও প্রবল ভাবে উ’ত্তেজিত। অনেকেই জোরে আওয়াজ করেন না, কিন্তু একটা মৃদু “আহ উহ” আওয়াজ হবেই।

এবার আসি আপনার সমস্যার ব্যাপারে। যদি স্ত্রী আপনার সাথে যৌ’ন মিলনে আগ্রহ না দেখান, তাহলে হতে পারে সেটা তাঁর লজ্জার কারণে। বিষয়টি লজ্জার কারণে হলেও আপনি সেটা বুঝতে পারবেন। আপনি স্প’র্শ করলে তিনি শিহরিত হবে, যো’নি পি’চ্ছিল হয়ে যৌ’ন মিলনের জন্য প্রস্তুত হবে, তিনি আপনাকে বাঁধা দেবেন না মিলনে।

কিন্তু একটা জিনিস মনে রাখবেন, যৌ’ন মিলনে আগ্রহ না দেখানো এবং অনীহা প্রকাশ করা, দুটি কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাপার। তিনি যদি আগ্রহী না হন, তাহলে আপনাকে দূরে ঠেলবেন। কখনোই সুখী হবেন না। জ’নিকে মিলনের জন্য প্রস্তুত করতে অনেকটা সময় লেগে যাবে।

মিলনের পর যত দ্রুত সম্ভব আপনার কাছ থেকে সরে যাবেন তিনি আর এই ব্যাপারে কোন কথাও বলবেন না। এবং নিজ হতে আপনাকে আদরও করবেন না তিনি। স্ত্রী আপনার, নিজেই বুঝে নিন কোনটা হচ্ছে আপনার ক্ষেত্রে

আরো জানুন নিমফোম্যানিয়া বা স্যাটেরিয়াসিস রোগে আক্রান্ত রোগীরা অস্বাভাবিক মাত্রায় শারীরিক চাহিদা পূরণের জন্য একাধিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এমনকি এই রোগের কারণে স্বামী থাকা কালেও তার অনুপস্থিতে একাধিক পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেক নারী। ঠিক একই কারণে সুযোগ পেলেই একাধিক নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেক পুরুষ।একাধিক শারীরিক সম্পর্ক করা নারী-পুরুষের কিছু লক্ষণ!

নিমফোম্যানিয়া বা স্যাটেরিয়াসিস রোগে আক্রান্ত রোগীরা অস্বাভাবিক মাত্রায় শারীরিক চাহিদা পূরণের জন্য একাধিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এমনকি এই রোগের কারণে স্বামী থাকা কালেও তার অনুপস্থিতে একাধিক পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেক নারী। ঠিক একই কারণে সুযোগ পেলেই একাধিক নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেক পুরুষ।

সম্প্রতি এমন কয়েকটি প্রমাণ ‘ইনস্টিটিউট অব সাইকায়াট্রি’ চিকিৎসকদের হাতে এসেছে। তারা এও বলছেন, অনেক সময় এই শারীরিক চাহিদা পূরণের সক্ষমতাকে আরও বাড়িয়ে তোলার জন্য বিভিন্ন রকমের মাদকও সেবন করেন তারা।অতিরিক্ত বা অস্বাভাবিক এই কামাসক্তি সমাজের কাছে ‘ব্যাভিচার’ বা ‘চারিত্রিক দোষ’ বলে বিবেচিত হলেও মনস্তত্ত্ববিদ বা মনরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে এটি একটি মানসিক ব্যাধি, যার নাম নিমফোম্যানিয়া বা স্যাটেরিয়াসিস।

মার্কিন মনরোগ বিশেষজ্ঞ টিমোথি জে লেগ-এর একটি গবেষণাপত্রের তথ্য অনুযায়ী, আমেরিকার প্রায় তিন কোটি মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। কিন্তু এখন পর্যন্ত এই রোগে আক্রান্ত হলে সেটা কিভাবে শনাক্ত করা যাবে সে বিষয়ে আমেরিকান সাইকোলজিকাল অ্যাসোসিয়েশন এর গবেষকরা এখনো কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি। এছাড়াও কেন এই রোগ মানুষের মনে বাসা বাঁধে আর অস্বাভাবিক বা বিকৃত যৌ’ন আসক্তি তৈরি করে সে সম্পর্কেও তেমন কোনো কারণ নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি তারা।

গরমকালে পারফিউম ছাড়া বাইরে বের হওয়ার কথা ভাবতেও পারেন না অনেকে! সাজগোজের পর পারফিউম না মাখলে কি হয়? তবে পারফিউম দিতে গিয়ে অনেকেই ভুল করে ফেলেন, তারা শরীরের ভুল জায়গায় পারফিউম দেন, যাতে উল্টো ক্ষতিই হতে পারে। জেনে নিন শরীরের যেসব জায়গায় পারফিউম না দেওয়াই ভালো১) চোখ

এটা আসলে বলে দিতে হয় না। চোখে পারফিউম দেওয়ার মতো বোকামি করবে না কেউই, কিন্তু ভুলেও যদি চোখে পারফিউম চলে যায় তাহলে দ্রুত অনেক বেশি পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলতে হবে। কারণ পারফিউমে ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত অ্যালকোহল বা স্পিরিট থাকতে পারে, এতে চোখে জ্বলুনি ও চুলকানি হতে পারে

২) চুল
চুলে যে কোনো গন্ধ–ভালো বা খারাপ- অনেক সময় ধরে রয়ে যায়। এ কারণে চুলে পারফিউম দিলে অনেকটা সময় সুগন্ধ রয়ে যাবে, তা ভাবতে পারেন আপনি। আসলে কিন্তু পারফিউমে অ্যালকোহল থাকলে তা চুলের ক্ষতিই করতে পারে। বিশেষ করে পারফিউমটা সরাসরি তো চুলে স্প্রে করাই যাবে না। বরং হেয়ারব্রাশে পারফিউম স্প্রে করে তা দিয়ে আলতো করে চুল আঁচড়ে নিতে পারেন
পারে। তাই সেখানে পারফিউম ব্যবহার করা যাবে না

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *