ইসলামের দৃষ্টিতে ১৫টি নিয়মে স্ত্রীর সাথে সহ,বাস একান্ত জরুরি

বলা বাহুল্য যে আল্লাহরই ইচ্ছানুযায়ী মানব বংশ বিস্তার ও তার জন্য দাম্পত্য ও পারিবারিক জীবন যাপনের উদ্দেশ্যেস্বা’মীকে-আ’নন্দ (wife) বিবাহ বন্ধ’নে আবদ্ধ হয়ে একটি শান্ত, নিরালা ও সুশৃঙখল পরিবেশের সৃষ্টি করতে হয় এবং এজন্য স্বা’মী-স্ত্রী দুজনকেই যথাযথভাবে আপনাপন কর্তব্যসমূহ সাধ’ন করতে হয়।

স’হবা’সের (physical relation) স্বাভাবিক পন্থা হলো এই যে, স্বা’মী উপরে থাকবে আর স্ত্রী (wife)নিচেথাকবে। প্রত্যেক প্রা’ণীর ক্ষেত্রেও এই স্বাভাবিক পন্থা পরিলক্ষ’তি হয়। সর্বপরি এ দিকেই অত্যন্ত সুক্ষভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে আল কুরআনেও। আর স্বা’মী যখন স্ত্রীর(wife) উপরে থাকবে তখন স্বা’মীর শ’রীর দ্বারা স্ত্রীর(wife) শ’রীর ঢাকা পড়বে। এতে স্ত্রীরও ক’ষ্ট সহ্য করতে হয়না এবং গ’র্ভধারণের জন্যেও তা উপকারী ও সহায়ক। কাজেই স্বা’মী স্ত্রী স’হবা’স (physical relation)করার সময় কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়।

৫. ফলবান গাছের নিচে স্ত্রী স’হবা’স করবে না।

৬. রবিবারে স’হবা’স করবেন না।

৭. চন্দ্র মাসের প্রথম এবং পনের তারিখ রাতে স্ত্রী স’হবা’স (physical relation)করবেন না।

৮. স্ত্রীর হায়েজ-নেফাসের সময় বা উভ’য়ের অসুখের সময় স’হবা’স করবেন না।

৯. বুধবারের রাত্রে স্ত্রীর স’হবা’স (physical relation)করবেন না।
১০. জোহরের নামাজের পরে স্ত্রী স’হবা’স করবেন না। ভরা পেটে স্ত্রী স’হবা’স করবেন না।
১১. উল্টাভাবে স্ত্রী স’হবা’স করবেন না। স্বপ্নদোষের পর গোসল না করে স্ত্রী স’হবা’স করবেন না।

১২. পূর্ব-পশ্চিম’দিকে শুয়ে স্ত্রী স’হবা’স (physical relation)করবেন না।
১৩. বিদেশ যাওয়ার আগের রাতে স্ত্রী স’হবা’স করবেন না।

১৪. স্ত্রীর জরায়ু দিকে চেয়ে স’হবা’স(physical relation) করবেন না। ইহাতে চোখের জ্যোতি ন’ষ্ট হয়ে যায়।
১৫. স’হবা’সের সময় স্ত্রীর সহিত বেশি কথা বলবেন না এবং নাপাক শ’রীরে স্ত্রী স’হবা’স কবেন না। উ’লঙ্গ হয়ে কাপড় ছাড়া অবস্থায় স্ত্রী স’হবা’স(physical relation) করবেন না।

প্রশ্নঃ কত বছর বয়স থেকে মেয়েদের মাসিক শুরু হয়?
উত্তরঃমাসিক (period) কোন অসুখ নয়। পৃথিবীর সকল না’রীকেই এই প্রাকৃতিক পদ্ধতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়। আমাদের মা-খালারাও উঠতি বয়সে মাসিক (period) বা ঋতুচ’ক্রের অ’ভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গিয়েছেন।

একজন না’রীকে ভবি’ষ্যতে স’ন্তানসম্ভবা হতে শা’রীরিকভাবে প্রস্তুত করে এই মাসিক (period) প্রক্রিয়া। একজন কি’শোরীর জন্য এটি প্রথম সংকেত যা বলে দেয় যে সে তার বাড়ন্ত কৈশোরে পা রাখতে যাচ্ছে।

প্রতি মাসে ডিম্বাশয় একটি ডিম্বাণু উৎপাদন করে। সবচেয়ে পরিপক্ক বা পূর্ণাঙ্গ ডিম্বাণুটি ডিম্বনালির মধ্য দিয়ে জরায়ুতে চলে যায়। জরায়ু হচ্ছে দেহের এমন একটি অংশ যেখানে শি’শু সুরক্ষিত থাকে ও প্রতিনিয়ত পুষ্টি পায়।

যখন ডিম্বাণু পরিপক্ক হয় তখন শ’রীর জরাযুতে রাসায়নিক সংকেত পাঠায়। ফলে জরায়ুর ভিতরের অংশ পুরু হয়ে ওঠে। ডিম্বাশয় থেকে পরিপক্ক ডিম্বাণু বেরিয়ে এসে ডিম্বনালীতে অবস্থান নেয়। এই পুরো প্রক্রিয়াকে বলে হয় ডিম্বাণু উৎপাদন প্রক্রিয়া। ডিম্বানুটি শুক্রানু দ্বারা নিষিক্ত হলে গ’র্ভসঞ্চার হয়।

গ’র্ভবতী (pregnant) অবস্থায় নিষিক্ত ডিম্বাণুটি ডিম্বনালীর মধ্য দিয়ে জরায়ুতে আসে। ৬ দিনের মধ্যে নিষিক্ত ডিম্বাণুটি জরায়ুতে সৃষ্ট নরম, পুরু আবরণের সাথে যুক্ত হয়ে যায়। আর যদি গ’র্ভবতী (pregnant) না হয়, তাহলে অনিষিক্ত ডিম্বাণুটি ন’ষ্ট হয়ে যায়।

জরায়ুর ভেতরে কোন শি’শু জন্ম না নেওয়ায় নরম ও পুরু আবরণটিও ভে’ঙে যায়; শ’রীর থেকে র’ক্তের আকারে বের হয়ে আসে। এভাবেই মাসিকের (period) শুরু হয়।

ত’থ্য উৎসঃ
বেড়ে উঠি আস্থার সাথে – মাসিক বা ঋতুকালীন স্বাস্থ্যবিধি ও ব্যবস্থাপনা, মূল রচনাঃ মিরা পিল্লাই, অনুবাদকঃ সৈয়দ মোঃ নূরউদ্দিন, এরিয়া কো-অর্ডিনেটর, পিএসটিসি। প্রকাশনাঃ ইউবিআর বাংলাদেশ অ্যালায়েন্স-এর পক্ষে আরএইচস্টেপ, এফপিএবি, পিএসটিসি, ডিএসকে, সিএইচসি
9 বছর বয়স থেকে 16 বছরের মধ্যে মাসিক (period) হয়। এই পার্থক্যের কারণ হলো, এটি মেয়েদের শ’রীরগত/ হরমোন/ বংশগতর উপর নির্ভর করে। সাধারণত 12/14 বছর বয়সেই হয়ে থাকে।

9 বছরের আগে মাসিক (period) হলে সেটা রো’গ বলে বিবেচিত হবে।প্রতি মাসে একজন মে’য়ের শ’রীর, বিশেষ করে জরায়ু গ’র্ভধারনের(pregnant) জন্য তৈরি হয়।

জরায়ুতে কিছু আবরন তৈরি হয় যা পরবর্তীতে ভ্রুনের জন্য প্রয়োজন। কিন্তু ওইমাসে যদি গ’র্ভধারণ না হয় তাহলে জরায়ুর এই আবরন এবং তার সাথে র’ক্ত বের হয়ে আসে।একেই মাসিক বলে। মাসিক (period) সাধারনত ১২ থেকে ১৬ বছর বয়সে হয়ে থাকে তবে এই সময়ের আগে এবং পরেও হতে পারে। মাসিক প্রতিমাসে হয় এবং ২ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত চলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *